নারীদের বা মেয়েদের জন্য ব্যবসার আইডিয়া।05 টি সহজ উপায়।

নারীদের বা মেয়েদের জন্য ব্যবসার সহজ 05 টি আইডিয়া

নারীদের বা মেয়েদের জন্য ব্যবসার আইডিয়া
নারীদের বা মেয়েদের জন্য ব্যবসার আইডিয়া

বর্তমান সময়ে এখন ছেলেদের সাথে মেয়েরা ও সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছে। আর সেটা সকল ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে যেমন মনে করুন, চাকরির ক্ষেত্রে এরপরে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে মেয়েরা ছেলেদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে একই রকম ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আর বর্তমান সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য মানুষের এখন টাকার দরকার। আর টাকা প্রত্যেকটা মানুষের দরকার হয়ে থাকে সে ছেলে হোক বা মেয়ে সেটা কোন বিষয় নয়। অনেক মেয়েরা আছে যারা ব্যবসা শুরু করে,ব্যবসা করে সফল হতে পারেন না।

আর তার একমাত্র কারণ হল সঠিক পরিকল্পনা ছাড়াই ব্যবসা শুরু করা কিংবা সঠিক ব্যবসা শুরু করতে না পারায় একটা কারণ হতে পারে। আর তাছাড়া ও আমরা যেরকমটা মনে করে থাকি আসলে,  ব্যবসা করা বুঝি অনেক সহজ আসলে বিষয়টি মোটে ও সেরকম  না। সফলতা  অর্জন করার জন্য  সঠিক গাইডলাইন এবং সঠিক দিক-নির্দেশনা জানার দরকার পড়ে। আর আজকে আমাদের আর্টিকেলে আপনাদের সঙ্গে মেয়েদের ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে আলোচনা করব যে সকল ব্যবসা গুলো করলে আপনারা সফল হতে পারবেন আশা করি। 

আপনাদের সাথে আমি কিছু অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে তথ্য শেয়ার করব, অনলাইন ব্যবসা গুলো করে আপনারা সফল হতে পারবেন। আর এই ব্যবসা গুলো যদি আপনারা করতে চান, তাহলে সেক্ষেত্রে আপনারা এই ব্যবসা গুলো ঘরে বসেই করতে পারবেন। আর এর জন্য আপনাদের ঘরের বাইরে যাওয়া দরকার হবে না। 

১। ইউটিউব (নারীদের জন্য বিজনেস আইডিয়া)

আপনাদের কাছে যদি একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন থাকে। তাহলে সেটাকে দিয়েই আপনারা ইউটিউব শুরু করতে পারেন।  ইউটিউবে ভিডিও বানিয়ে তারপরে সেই ভিডিও গুলো এডিট করে আপনাদের ইউটিউব চ্যানেলে দিতে পারেন। আপনারা ভিডিও যেকোনো বিষয়ের উপরে বানাতে পারেন। অর্থাৎ আপনারা যদি কোন  কাজে দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে সেই কাজের ভিডিও গুলো বানিয়ে আপনারা ইউটিউবে দিতে পারে। 

যেমন মনে করেন, আপনারা গেমিং ভিডিও বানাতে পারেন / আপনি যদি গেম খেলতে ভালোবাসেন বা গেম অনেক পছন্দ করেন খেলতে। তাহলে সেক্ষেত্রে আপনারা গেমিং ভিডিও বানাতে। এরপরে আপনারা মোটিভেশনাল ভিডিও বানাতে পারেন, কিংবা আপনারা যদি রান্নাবান্না করতে অনেক ভালো পারেন তাহলে সেক্ষেত্রে আপনারা রান্না করার ভিডিও করে সেগুলো আপনাদের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করে দিতে পারেন।

আশা করি আপনারা বুঝতে পারছেন , ইউটিউবে আপনারা কি রকমের ভিডিও বানাতে পারবেন। আমি উপরে দুই তিনটা উদারণ দিলাম এরকমের হাজারটা প্রতিভা আপনাদের ভিতরে থাকতে পারে।  আপনারা যেই কাজ সম্পর্কে ভালো পারেন বা যেটা সম্পর্কে আপনাদের অনেক অভিজ্ঞতা বা এক্সপেরিয়েন্স রয়েছে। সেই কাজটা আপনারা ভিডিও করে আপনাদের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করতে পারেন। 

ইউটিউব থেকে কিভাবে ইনকাম হবে: আপনারা যখন একটা ইউটিউব চ্যানেল খুলবেন, তারপরে যখন সেই ইউটিউব চ্যানেলে 1000 সাবস্ক্রাইবার ও 4000 ঘন্টা ওয়াচ টাইম সম্পন্ন হয়ে যাবে। তখন আপনারা আপনাদের ইউটিউব চ্যানেলটি গুগল এডসেন্স এর কাছে মনিটাইজেশন এর জন্য আবেদন করবেন। তারপরে যখন আপনাদের ইউটিউব চ্যানেলে এডসেন্স কানেক্ট হয়ে যাবে।

তখন আপনারা আপনাদের ইউটিউব চ্যানেল এর ভিতরে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখে সেই কোম্পানির কাছ থেকে টাকা নিতে পারবেন। অর্থাৎ আপনাদের ইউটিউব চ্যানেলে যখন গুগল এডসেন্স এপ্রুভড হয়ে যাবে তখন আপনারা আপনাদের ভিডিওর ভিতর বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখাতে পারবেন।

আর যখন সেই বিজ্ঞাপন এর উপরে ক্লিক করবে তখন আপনারা একটা অ্যামাউন্ট গুগল এডসেন্স এর ভিতরে পাবেন। আর আপনাদের এডসেন্স একাউন্টের ভেতরে যখন ১০ ডলার সম্পন্ন হয়ে যাবে তখন গুগল এডসেন্স থেকে আপনাদের ঠিকানাতে একটা পিনকোড পাঠাবে ভেরিফাই করার জন্য।

ছয় সংখ্যার একটি কোড দেওয়া থাকবে সে কোড নাম্বারটি আপনারা আপনাদের এডসেন্স একাউন্ট এর ভেতরে লগইন করে ভেরিফাই করে নিবেন। তার পরে আপনাদের সকল কাজ শেষ এরপরে যখন আপনাদের এডসেন্স একাউন্ট এর ভিতর 100 ডলার সম্পন্ন হয়ে যাবে। তখন আপনারা কাজটা করবেন সেটা হলো আপনাদের অ্যাডসেন্সে একাউন্ট এর ভেতরে লগইন করে।

আপনাদের ব্যাংক একাউন্ট এড করে নিবেন আপনারা কোন ব্যাংকে আপনাদের টাকাটা নিতে পারেন। যেমন ডাচ-বাংলা ব্যাংকে নিতে পারেন কিংবা ইসলামী ব্যাংকে নিতে পারেন। তবে আমি আপনাদেরকে সাজেস্ট করব ইসলামী ব্যাংকে নেওয়ার জন্য। কারন ইসলামী ব্যাংকে টাকা অন্যান্য সকল ব্যাংকের থেকে অনেক তাড়াতাড়ি আসে। ব্যাংক একাউন্টে যখন করবেন তার পরে প্রত্যেক মাসে 20 থেকে 21 তারিখ 25 তারিখের ভিতরে আপনাদের টাকাটা আপনাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এর ভেতরে টান্সফার হয়ে যাবে। মানে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আপনাদের টাকাটা থেকে 25 তারিখের ভিতরে আপনাদের ব্যাংক একাউন্টে পাঠিয়ে দিবে। আর তারপরে আপনারা ব্যাংকে গিয়ে টাকাটা উঠিয়ে আনতে পারবেন।

২। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে কাজ করতে পারেন

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ মূলত আপনারা বিভিন্ন কোম্পানির প্রোডাক্ট বিক্রি করে দিবেন এবং সেই কোম্পানি আপনাদেরকে তার বিনিময়ে কিছু টাকা কমিশন দিবে। যেমন মনে করুন আপনি একটা কোম্পানির প্রোডাক্ট বিক্রি করে দিলেন এবং তার বিনিময় কোম্পানি আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণে একটা এমাউন্ট দিল কমিশন আর এটাকে মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে। বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন রকমের পেমেন্ট করে থাকে মানে কমিশন দিয়ে থাকে।

কোন কোন কোম্পানি রয়েছে যারা 4 থেকে 5 পার্সেন্ট কমিশন দেয়। আবার অনেক কোম্পানি রয়েছে যারা 10% কমিশন দেয় আবার কিছু কোম্পানি রয়েছে যারা 15 থেকে 20 পার্সেন্ট পর্যন্ত কমিশন দিয়ে থাকে। একটা কোম্পানি একেক রকমের কমিশন দিয়ে থাকে।  আর এই বিষয়গুলো আপনারা কাজ করার আগে জেনে নিবেন। আপনারা কোম্পানিতে কাজ করবেন সেই কোম্পানির সকল তথ্য আগে জেনে নিবেন, তারা কিভাবে পেমেন্ট করে কিংবা কত পারসেন্ট কমিশন দেয়। 

কমিশন এর টাকা কিভাবে হাতে পাবেন : আপনারা যদি Amazon এর প্রোডাক্ট নিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করেন। তাহলে সেক্ষেত্রে আপনারা আপনাদের ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে টাকা নিতে পারবেন। আপনাদের একাউন্টে যখন 100 ডলার হয়ে যাবে। তখন আপনাদের ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে সেই টাকা টান্সফার করে নিতে পারবেন। এছাড়া ও আপনারা যদি অন্যান্য যেসকল এফিলিয়েট মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম গুলো রয়েছে। সেখানে যদি আপনারা কাজ করেন তাহলে সেখানে কত টাকা হলে পেমেন্ট নিতে পারবেন কত পারসেন্ট কমিশন দেয়।

এই সমস্ত বিষয় গুলো আপনারা আগে জেনে নিবেন এবং তারা কি কি প্রোডাক্ট বিক্রি করে ওই কোম্পানি সম্পর্কে সকল তথ্য জানবেন। এক কথায় যদি বলি কাজ করার আগে আর তারপরই আপনারা কাজ করা শুরু করবেন। আর আপনারা যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের কাজ করতে চান তাহলে সেক্ষেত্রে আপনাদের একটা ওয়েবসাইট থাকা লাগবে। কিংবা বড় কোনো ফেসবুক গ্রুপ কিংবা ফেসবুক পেজ থাকতে হবে মানে আপনাদের একটা প্লাটফর্ম থাকতে হবে। যেখানে আপনারা মার্কেটিং করবেন মানে প্রোডাক্ট গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবেন, কিংবা মানুষদেরকে জানানোর জন্য আপনাদের কাছে একটা প্লাটফর্ম থাকা লাগবে। 

তবে ওয়েবসাইট থাকাটাই সব থেকে বেশি ভালো আমার কাছে কারণ এটা দীর্ঘস্থায়ী। ফেসবুক পেজ কিংবা ফেসবুক গ্রুপ যেকোন সময় নষ্ট হয়ে যেতে পারে এগুলোর কোন ভরসা নেই। তাই চেষ্টা করবেন একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানে আপনারা এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ গুলো করার জন্য।

৩। রান্নাবান্না করে রোজগার করতে পারেন

আপনারা যদি রান্না-বান্না করতে অনেক দক্ষ হয়ে থাকেন। আপনাদের রান্নার হাত যদি অনেক ভালো থাকে, আপনার খাবার খেয়ে যদি আপনার পরিবারের মানুষের প্রশংসা করে। আপনারা যদি বিভিন্ন আইটেমের খাবার বানাতে পারেন। তাহলে সেক্ষেত্রে আপনারা খাবার বানিয়ে ঘরে বসে সেই খাবারগুলোকে অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করে বেশ ভালো পরিমাণে একটা অর্থ ঘরে বসেই আয় করতে পারবেন খুব সহজেই। 

বিভিন্ন ফুড ডেলিভারি কোম্পানি রয়েছে তারা আপনার বাসায় এসে খাবার নিয়ে যাবে এবং সেটা গিয়ে কাস্টমারের কাছে ডেলিভারি করে দিবে। আর এভাবেই আপনারা ঘরে বসে খাবার বানিয়ে সে গুলোকে কাস্টমারদের কাছে সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারবেন এবং এভাবে আপনারা বেশ ভালো পরিমাণে একটা টাকা ঘরে বসেই রোজগার করতে পারবেন।

আপনারা যদি ফাস্টফুডের যেসকল আইটেম রয়েছে সেগুলো বানাতে পারেন। তাহলে আর ও ভালো সেগুলো বিক্রি করে ও আপনারা অনেক টাকা রোজগার করতে পারবেন। আপনাদের রান্নাটা যদি ভাল হয় এবং সেই খাবার খেয়ে যদি কাস্টমারদের কাছে ভালো লাগে তাহলে একজন কাস্টোমার আপনাদের কাছ থেকে বারবার খাবার অর্ডার করবে।

তাই আপনি যদি ভাল রান্না বান্না করতে পারেন তাহলে এই ব্যবসাটি আপনার জন্য একদম পারফেক্ট, আপনারা এই ব্যবসা করতে পারেন। এই ব্যবসা করলে আপনারা অবশ্যই সফল হবেন আশা করি। আর এই ব্যবসাটা আসলে মেয়েদের ব্যবসার আইডিয়া মেয়েরা চাইলে ঘরে বসে এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন।

৪। ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইনে আয় করতে পারেন

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে যত কাজ গুলো আছে । যেমন মনে করুন,

  • Digital Marketing
  • Graphics Degain
  • Web Degain
  • Web Devlopment
  • Video Editing
  • Animation Video
  • Social media manager
  • Seo service
  • Voice Over Artist
  • Writing Translator
  • Proofreader
  • Press Release Writer
  • Fiction Writer
  • Copywriter
  • Ghost Writer
  • Legal Writer
  • Resume & Cover Letter Writer
  • Product Description Writer
  • Transcription Writer
  • Academic Writing
  • Logo Designer
  • Photoshop Editor
  • Website Mockup Designer
  • Graphic/Poster Designer
  • Book Cover Designer
  • T-Shirt Designer
  • Infographic Designer
  • CAD Designer
  • Flyer Designer
  • UX / UI Designer
  • WordPress Expert
  • Plugin Developer
  • Web Font Designer
  • Bug Fixing
  • App Developer
  • Game Developer
  • SEO Consultant
  • Health Advisor
  • Parenting Advisor
  • Virtual Assistant
  • Marketing Strategist
  • Live Chat Agent
  • Bookkeeper
  • Lead Generator

এইকাজ গুলো করতে পারেন কিংবা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরের যেই সকল কাজ গুলো রয়েছে। সেগুলো ভেতরে কোন একটা কাজে দক্ষ হয়ে থাকেন। তাহলে আপনারা সেই কাজগুলো করে দিয়ে বিভিন্ন মানুষদের বা বিভিন্ন কোম্পানির কাজ করে দিয়ে তাদের কাছ থেকে বেশ ভালো পরিমাণে একটা টাকা তাদের কাছ থেকে নিতে পারবেন। 

আপনারা বিভিন্ন মানুষের সাথে কাজ করতে পারেন কিংবা আপনারা ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস রয়েছে।  সেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কিংবা কোন ব্যক্তির কোন কাজ করে দিয়ে ও অনেক টাকা প্রতি মাসে রোজগার করতে পারবেন ঘরে বসেই। আর এই কাজ করার জন্য আপনাদের ঘরের বাহিরে যাওয়া লাগবে না।

এটা অনেক ভালো একটা ব্যবসার আইডিয়া বিশেষ করে মেয়েদের ব্যবসার আইডিয়া। আর ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ বর্তমানে মেয়েদের সাথে সাথে ছেলেরাও সমান তালে করতেছে। তাই আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরের কোন কাজে দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে আজকে থেকে শুরু করে দিতে পারেন এই বিজনেস। 

৫। আর্টিকেল রাইটার হিসেবে কাজ করতে পারেন

আপনি যদি ভাল লিখতে পারেন যেকোনো বিষয় সেটা হতে পারে আপনারা যদি কোন একটা বিষয়ের উপরে অনেক ধারণা বা অনেক অভিজ্ঞতা কিংবা অনেক দক্ষতা থাকে। তাহলে দেখা যাবে তখন আপনাদেরআপনারা সেই বিষয়ের উপরে অনলাইনে আর্টিকেল লিখে বেশ ভালো পরিমাণে টাকা আয় করতে পারবেন।

বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন ব্যক্তির বিভিন্ন সময় দেখা যায়,আর্টিকেল দরকার হয়ে থাকে। আর আপনি যদি এই আর্টিকেল রাইটিং সার্ভিস দিতে পারেন। তাহলে বেশ ভালো পরিমাণে টাকা আয় করতে পারবেন। আপনি যদি বাংলা আর্টিকেল লিখেন। তাহলে ও সে ক্ষেত্রে দেখা যাবে আপনারা ১০০০ ওয়ার্ডের জন্য ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকার মতো কাস্টমারদের কাছ থেকে নিতে পারবেন। আবার অনেকে দেখা যাবে এর থেকে একটু কম দিবে মানে আপনারা যখন নতুন থাকবেন তখন একটু কম দেবে আস্তে আস্তে যখন আপনাদের অভিজ্ঞতা হয়ে যাবে তখন আপনাদের বেশি দিবে। 

আর তাছাড়া আপনারা যদি ইংলিশে আর্টিকেল লিখতে পারেন। তাহলে সেক্ষেত্রে দেখা যাবে 1,000 ওয়ার্ডের জন্য 700 টাকা থেকে শুরু করে 1000 টাকা কিংবা তার থেকে ও বেশি আপনারা পাবেন তবে সবাই আপনাদেরকে এক রেট দিবে না। অনেকের বাজেট কম থাকে তাই অনেকে দেখা যায় এর থেকে কম বাজেট দিয়ে থাকে ।

সেটা ইংলিশের বেলায় হোক কিংবা বাংলার বেলায়। তাই আপনারা আপনাদের ক্লায়েন্টের সাথে আগেই কথা বলে নিবেন তারা কত টাকা দিতে পারবে।  আপনার যদি সেই টাকায় কাজ করলে পোষায় তাহলে আপনি করবেন আর যদি করতে না পারেন। তাহলে তাদেরকে করতে পারবেন না বলে দিবেন তাহলেই হবে। 

আমাদের শেষ কথা

তাহলে আজকে আমাদের আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনারা মেয়েদের ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে জানতে পারলেন। আর আমাদের ওয়েবসাইটে এ রকমের বিভিন্ন ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করা হয়ে থাকে। সেগুলো সবার আগে পাওয়ার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিদিন ভিজিট করুন।

সকলে ভাল থাকবেন আজকে এই পর্যন্তই পরে আবার অন্য কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। আর আমাদের এই লেখাটি আপনারা আপনাদের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিবেন। তাহলে দেখা যাবে আপনার মাধ্যমে আরো 10 জন মানুষ জানতে পারবে। আর আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো মানুষদেরকে সঠিক তথ্য সবার আগে পৌঁছে দেওয়া।

আশা করি আমাদের আজকের আর্টিকেলটি শেয়ার করে আপনারা আমাদের সে উদ্দেশ্যটা সফল করবেন। আর লেখাটি কেমন লাগল সেটা অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাবেন। আর কোন কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে সেটাও কমেন্ট করে জানাবেন আমরা সেটার উত্তর আপনাদের কে দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। Good Bye.

আরও পড়ুনঃ

Leave a Comment

%d bloggers like this: